উপাদান
প্রধান উপকরণ হলো শুকনো ডাল নিজেই। এতে ফেনোলিক যৌগ ও ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ফসফরাসও রয়েছে।
পুষ্টিগুণ (প্রতি ১০০ গ্রাম)
প্রোটিন পরিমাণ প্রায় ২২ থেকে ২৫ গ্রাম। কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬০ গ্রাম। চর্বি পরিমাণ মাত্র ০.৫৮ গ্রাম। আঁশ, আয়রন ও ক্যালসিয়াম উপস্থিত।
উপকারিতা
প্রধান রোগ নিরাময়
কিডনিতে পাথর প্রতিরোধে সহায়ক। এতে থাকা ফেনোলিক ও ফ্ল্যাভোনয়েড মূত্রবর্ধক কাজ করে। প্রস্রাব বাড়িয়ে ছোট পাথর বের করতে সাহায্য করে। এটি ইউরোলিথিয়াসিস প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য দেখায়।
অন্যান্য উপকারিতা
হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যে উপকারী। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
ব্যবহারের নিয়ম
রাতে ডাল পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই পানি ছেঁকে পান করুন। ডাল সিদ্ধ করে খাওয়া যায়। পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
শুকনো ও ঠান্ডা জায়গায় রাখুন। বাতাসনিরোধক পাত্রে সংরক্ষণ করুন। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ এড়িয়ে চলুন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
অতিরিক্ত খেলে গ্যাস ও পেট ফাঁপা হতে পারে। এতে অক্সালেট থাকে। কিডনি রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সারসংক্ষেপ
এটি একটি পুষ্টিকর ডাল জাতীয় খাদ্য। কিডনির পাথর প্রতিরোধে ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত হয়। হজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। পরিমিত ব্যবহারে উপকারী, অতিরিক্ত নয়।